আহারে সামান্য ১০ টাকার জন্য একটা জীবন শে'ষ!!!
তার নাম রহিম। বয়স মাত্র ২৮।
গাজীপুরের একটা ছোট গ্রামে,, সে ছোট্ট একটা চায়ের দোকান চালাত। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চা বানাত, বিস্কুট দিত, সিগারেট বিক্রি করত। যা আয় হতো তা দিয়ে বৃদ্ধ বাবা-মা আর ছোট বোনের সংসার চালাত।
রহিম কখনো কারো সাথে ঝগড়া করত না। গ্রামের সবাই বলত, রহিম ছেলেটা সোনার মতো। সে প্রতিদিন বলত, আগে বোনের বিয়ে দিব, বাবা-মাকে ভালো করে রাখব, তারপর নিজের কথা ভাবব।
_সেদিন বিকেল ৫টা। দোকানে একজন লোক এসে চা খেল। চা খেয়ে সে ১০ টাকা দিতে গিয়ে বলল, ভাই,, আমার কাছে ১০ টাকা কম আছে। কাল দিয়ে দিব।
রহিম হেসে বলল, ঠিক আছে ভাই, কাল দিলেই হবে। কোনো সমস্যা নেই।
লোকটা চলে গেল। কিন্তু ১০ মিনিট পর হঠাৎ ফিরে এসে চিৎকার শুরু করল,
“তুই আমাকে ১০ টাকা দিতে বলিস? আমাকে ছোট করিস? আমি কি ভিক্ষুক নাকি?”
রহিম অবাক হয়ে বলল, “ভাই, আমি তো কিছু বলিনি। আপনি নিজেই বললেন কাল দিবেন।”
লোকটা আরও রেগে গেল। চারপাশ থেকে লোক জড়ো হতে লাগল। কয়েকজন মাতাল ধরনের ছেলে লোকটার পক্ষ নিল। তারা রহিমকে ধাক্কা দিতে শুরু করল। রহিম হাত জোড় করে বলল,
ভাইয়েরা আমি কোনো অপমান করিনি। ১০ টাকার জন্য আমি কী করব? আপনারা চলে যান। কিন্তু তারা শুনল না। একজন তার গ*লা চে"পে ধরল। অন্যজন লা"থি মারল। রহিম মাটিতে পড়ে গেল। তারা তাকে পি*টাতে লাগল — মাথায়, বুকে, পেটে। রহিম কাতরাতে কাতরাতে বলছিল,
“আমাকে মেরে ফেলবেন না… আমার বাবা-মা আছে… আমার বোন আছে… আমি তো কিছু করিনি…
প্রায় ২০ মিনিট ধরে চলল এই নির্ম*ম পি*টুনি। তারপর তারা পালিয়ে গেল।
রহিম র*ক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে ছিল। নাক-মুখ দিয়ে র*ক্ত গড়াচ্ছিল। চোখ আধখোলা।
প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেল। ডাক্তার বললেন, “মাথায় গুরুতর আ*ঘাত। অবস্থা খুব খারাপ।”
রাত ১১:৪৫ মিনিটে রহিমের শেষ নিঃশ্বাস পড়ল।
সামান্য ১০ টাকার জন্য… একটা তরুণের পুরো জীবন শেষ হয়ে গেল।
১০ টাকা উচিলা অন্য সমস্যা রয়েছে মনে হয়।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |